টপ পোষ্ট

খালেদার জামিন ঠেকাতে অ্যাটর্নি জেনারেল যা বলেছিলেন…!

0

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ৪মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন আদালত। সোমবার আদালতে সরকার পক্ষের ও অ্যাটর্নি জেনারেলের বিরোধিতা সত্ত্বেও আদালত জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন।

আদালতে দুই দিনের জন্য জামিন আদেশ স্থগিত রাখতে অ্যাটর্নি জেনারেল আবেদন করেছিলেন, আদালত তা খারিজ করে দেন।

এদিকে বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, হাইকোর্টের আদেশের পর এখন খালেদা জিয়ার মুক্তিতে আর কোনও বাধা নেই। কতগুলো নিয়ম আছে, সেগুলো মেনে আদেশ কারাগারে পৌঁছালেই খালেদা জিয়া মুক্ত হবেন। শিগগিরই তিনি আমাদের মধ্যে ফিরে আসবেন।

উল্লেখ্য, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ বিএনপি নেত্রীর জামির আবেদনের ওপর শুনানি হয়। সেদিন আদেশ না দিয়ে নথি দেখে সিদ্ধান্ত জানানোর কথা বলেন দুই বিচারপতি।

এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের একই বেঞ্চ খালেদা জিয়ার করা আপিল গ্রহণ করে ১৫ দিনের মধ্যে মামলার নথি পাঠানোর আদেশ দেন। সেই অনুযায়ী ৭ মার্চ সেই সময় শেষ হয়। তবে হাইকোর্টের আদেশের কপি বিচারিক আদালতে পৌঁছেছে ২৫ ফেব্রুয়ারি। সেই অনুযায়ী ১১ মার্চ ১৫ দিন পূর্ণ হয়।

প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৫বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন নিম্ন আদালত। এ মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১০ বছর কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন মামলার বিচারক ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ মো. আখতারুজ্জামান।

মামলার অন্যান্য ৫ আসামীকেও ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সাজা প্রাপ্ত অন্য আসামীরা হলেন- সাবেক সাংসদ ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, সাবেক মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ ও জিয়াউর রহমানের বোনের ছেলে মমিনুর রহমান। মামলায় শুরু থেকে পলাতক আছেন তারেক রহমান, কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান। রায়ে সাজাপ্রাপ্ত প্রত্যেকের ২কোটি ১০লক্ষ ৭১ হাজার টাকা সমপরিমান জরিমানাও ধার্য করা হয়েছে।

শেয়ার করুণ

আপনার মন্তব্য দিন